ঢাকা আজকের তারিখঃ | বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বৈষম্যহীন ও ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: পানি সম্পদ মন্ত্রী রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে সংঘর্ষের ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন গণঅভ্যুত্থানে হাসনাত-সারজিস আওয়ামীলীগের এজেন্ট হয়ে কাজ করছিলো: রাশেদ খাঁন আমি নিজেই একজন জুলাই যোদ্ধা: হিরো আলম বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের কৌশলগত রূপকল্প: "Science to Economy" জামায়াত গণতান্ত্রিক দল কি না, আমিরকেই বিবেচনা করা উচিত: মির্জা ফখরুল বিশ্ববাজারে কমলো জ্বালানী তেলের দাম অবস্থান প্রত্যাহারের কথা জানালো ককরোচ জনতা পার্টি জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ইত্যাদি এবারের আসর লক্ষীপুর জেলায় ছাত্র ইউনিয়ন থেকে মেঘমল্লার বসু’র পদত্যাগ ককরোচ’দের আন্দোলনের চাপে ভারতের শিক্ষামন্ত্রীর ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ শিক্ষামন্ত্রীকে অন্য মন্ত্রণালয়ে সরানো গ্রহণযোগ্য হবে না: রাহুল গান্ধী ল্যাপটপ ব্যাবহারে পাচঁটি গুরুত্বপূর্ণ টিপস সাবেক রাষ্ট্রপতি চুপ্পুর বিরুদ্ধে কোনো মামলা থাকলে খতিয়ে দেখা হবে: আইনমন্ত্রী বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনার মাধ্যমে বিশ্ব পর্যটন দিবস উদযাপন করতে চাই: পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম টানা বৃষ্টিতে সবজির বাজারে আ/গুন টানা বৃষ্টিতে সবজির বাজারে আগুন মেডিকেল শিক্ষার্থীদের পাশে আছি: নেহা কক্কর গ্যাস সংকটে পড়েছে ঢাকা, স্টেশনগুলোতে দীর্ঘ লাইন ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ না করা পর্যন্ত আন্দোলন প্রত্যাহার করা হবে না: ককরোচ পার্টি’র প্রতিষ্ঠাতা

জার্মানির স্টুডেন্ট ভিসা: আবেদন থেকে অনুমোদন, যা জানা জরুরি

জার্মানির স্টুডেন্ট ভিসা: আবেদন থেকে অনুমোদন, যা জানা জরুরি ছবির ক্যাপশন: সংগৃহীত

উচ্চশিক্ষার জন্য জার্মানি বর্তমানে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের অন্যতম প্রিয় গন্তব্য। দেশটির বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় ভর্তি হওয়ার পর পড়াশোনা শুরু করতে অধিকাংশ আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীকে স্টুডেন্ট ভিসা নিতে হয়। জার্মান ভিসাবিষয়ক তথ্যভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম Germany Visa-এর তথ্য অনুযায়ী, জার্মানির শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের জন্য এই ভিসা বাধ্যতামূলক।

জার্মানির স্টুডেন্ট ভিসা দীর্ঘমেয়াদি ন্যাশনাল ‘ডি’ (D) ভিসা হিসেবে প্রদান করা হয়। এ ভিসার মাধ্যমে একাধিকবার জার্মানিতে প্রবেশ করা যায় এবং এটি সাধারণত দুই বছরের জন্য বৈধ থাকে। পরবর্তী সময়ে প্রয়োজন অনুযায়ী আরো দুই বছর পর্যন্ত মেয়াদ বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে। বর্তমানে স্টুডেন্ট ভিসার আবেদন ফি ৭৫ ইউরো, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১০ হাজার ৭২৫ টাকা।

কারা আবেদন করতে পারবেন

জার্মানির স্টুডেন্ট ভিসার জন্য আবেদন করতে হলে প্রথমে দেশটির কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় বা উচ্চশিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে জার্মানিতে অবস্থানকালে নিজের ব্যয় বহনের সক্ষমতার প্রমাণও দেখাতে হবে।

নির্দেশনা অনুযায়ী, আবেদনকারীকে ব্লকড অ্যাকাউন্টে কমপক্ষে ১১ হাজার ৯০৪ ইউরো (প্রায় ১৭ লাখ ২ হাজার টাকা) জমা থাকার প্রমাণ অথবা বৈধ স্কলারশিপের নথি জমা দিতে হবে। এছাড়া সংশ্লিষ্ট কোর্সের প্রয়োজন অনুযায়ী ভাষাগত দক্ষতার সনদও দিতে হতে পারে।

যাদের স্টুডেন্ট ভিসা প্রয়োজন হয় না

যেসব দেশের নাগরিকদের জার্মানিতে প্রবেশের জন্য ভিসা প্রয়োজন, তাদের অবশ্যই স্টুডেন্ট ভিসা নিতে হবে। তবে অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, ইসরাইল, জাপান, নিউজিল্যান্ড, দক্ষিণ কোরিয়া, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের জার্মানিতে প্রবেশের আগে স্টুডেন্ট ভিসা নিতে হয় না। তারা জার্মানিতে পৌঁছানোর পর স্থানীয় ফরেইনার্স অফিসে আবাসিক অনুমতির জন্য আবেদন করতে পারেন।

অন্যদিকে ভিসামুক্ত দেশের শিক্ষার্থীরা যদি ৯০ দিনের বেশি মেয়াদের কোনো কোর্সে অংশ নেন, তাহলে তাদেরও আবাসনসংক্রান্ত অনুমোদন নিতে হবে। তবে ৯০ দিনের কম সময়ের স্বল্পমেয়াদি কোর্স বা কিছু এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামের ক্ষেত্রে শেনজেন ভিসা প্রযোজ্য হতে পারে।

স্টাডি ভিসার ধরন

পড়াশোনার উদ্দেশ্য অনুযায়ী জার্মানিতে বিভিন্ন ধরনের স্টাডি ভিসা রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—

  • পূর্ণকালীন একাডেমিক অধ্যয়নের ভিসা
  • জার্মান ভাষা শিক্ষা কোর্সের ভিসা
  • স্টুডিয়েনকলেগ (Studienkolleg) ভিসা
  • প্রস্তুতিমূলক কোর্সের ভিসা
  • বাধ্যতামূলক প্রাক-ইন্টার্নশিপের ভিসা

আবেদন করবেন যেভাবে

বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি নিশ্চিত হওয়ার পর নিজ দেশের জার্মান দূতাবাস বা কনস্যুলেটের মাধ্যমে স্টুডেন্ট ভিসার আবেদন করা যায়। কিছু দেশে অনলাইনে আবেদন করার সুযোগ রয়েছে। বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরাও অনলাইনে আবেদন করতে পারেন।

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

স্টুডেন্ট ভিসার আবেদনের সঙ্গে সাধারণত যেসব কাগজপত্র জমা দিতে হয়, সেগুলো হলো—পূরণকৃত ভিসা আবেদনপত্র, বৈধ পাসপোর্ট, সাম্প্রতিক পাসপোর্ট সাইজের ছবি, বিশ্ববিদ্যালয় বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তির প্রমাণপত্র, একাডেমিক সনদ ও ট্রান্সক্রিপ্ট, ভাষাগত দক্ষতার সনদ, প্রাথমিক সময়ের ভ্রমণবীমা, জীবনবৃত্তান্ত (সিভি), মোটিভেশন লেটার ও আর্থিক সক্ষমতার প্রমাণ।

আবেদনকারীকে আর্থিক সক্ষমতার প্রমাণও জমা দিতে হবে। এ ক্ষেত্রে নিম্নোক্ত যেকোনো একটি বা একাধিক নথি গ্রহণযোগ্য হতে পারে—

  • স্কলারশিপের অনুমোদনপত্র
  • জার্মানিতে বসবাসরত কোনো ব্যক্তির স্পনসরশিপ ঘোষণা
  • ন্যূনতম ১১ হাজার ৯০৪ ইউরো জমা থাকা ব্লকড অ্যাকাউন্টের তথ্য
  • অভিভাবকের আর্থিক ঘোষণাপত্র

সঠিক কাগজপত্র প্রস্তুত করে সময়মতো আবেদন করলে জার্মানিতে উচ্চশিক্ষার পথ অনেকটাই সহজ হয়ে যায়। তাই আবেদন করার আগে সর্বশেষ নির্দেশনা ও প্রয়োজনীয় নথির তালিকা জার্মান দূতাবাসের ওয়েবসাইট থেকে যাচাই করে নেওয়া উচিত।


নিউজটি আপডেট করেছেন : এসএএস

কমেন্ট বক্স