মঙ্গলবার দিবাগত রাতে মগড়া নদীর সেতুর পাশে নির্মিত স্মৃতিস্তম্ভে কেরোসিন ঢেলে আগুন দেওয়া হয় বলে ধারনা করা হচ্ছে। তবে স্মৃতিস্তম্ভটি স্টিলের তৈরি হওয়ায় এতে তেমন কোন ক্ষয়ক্ষতি হয়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ।
বুধবার এ ঘটনার ২৫ সেকেন্ডের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে দেখা যায়, রাতের আঁধারে স্মৃতিস্তম্ভে আগুন লাগার পর তিন যুবক মূল বেদি থেকে নেমে যাচ্ছে। এ সময় তাদের ‘শেখ হাসিনা আসবে, বাংলাদেশ হাসবে’ এবং ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিতে শোনা যায়।
এ বিষয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় সদস্য ও নেত্রকোনা সদর উপজেলার বাসিন্দা ফাহিম রহমান খান পাঠান বলেন, আগামী কিছুদিনের মধ্যে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের জেলা কমিটি গঠন হতে পারে। পদ-পদবি পাওয়ার আশায় একটি উপজেলার কিছু নেতাকর্মী নিজেদের সক্রিয়তা জানান দেওয়ার জন্য এ ঘটনা ঘটিয়েছে বলে জানতে পেরেছি। আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছি। পুলিশ সুপারের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে পুলিশ কাজ করছে।
তিনি আরো বলেন, জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ জুলাই আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্তদের কাছে আবেগের একটি স্থান। আমি নিজেই স্মৃতিস্তম্ভটির উদ্বোধন করেছি। এসব কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ আতঙ্ক সৃষ্টি করে বর্তমান স্থিতিশীল পরিবেশ নষ্ট করার চেষ্টা করছে। তবে এতে কোনো লাভ হবে না।
নেত্রকোনা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আল মামুন সরকার বলেন, ঘটনার পর পুলিশ সুপার তারিকুল ইসলামসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। কেরোসিন দিয়ে আগুন লাগানো হলেও স্মৃতিস্তম্ভটি স্টিলের তৈরি হওয়ায় তেমন ক্ষতি হয়নি। সিসিটিভি ফুটেজ ও ভিডিও ক্লিপ বিশ্লেষণ করে জড়িতদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে।
এসএএস